আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রমিত সেবামান নিশ্চিতকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা (রাজশাহী)

ফেব্রুয়ারি ২০১৭    সকাল ১০টা    সভাকক্ষ, নান কিং চাইনিজ রেস্টুরেন্ট, রাজশাহী

বাংলাদেশে অপ্রতিবন্ধী শিশুদের চেয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের উপর সহিংসতা, নির্যাতন, অবহেলা শোষণের মাত্রা প্রায় চার গুণ। পরিবার, সমাজ এবং কর্মস্থলের বৈষম্য হলো প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকার লঙ্ঘনের মূলক্ষেত্র। আমাদের দেশে  প্রতিবন্ধী শিশুদের কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। সেভ দ্য চিলড্রেনের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, বাংলাদেশে -১০ মিলিয়ন শিশু রয়েছে যারা কোন না কোন ভাবে প্রতিবন্ধী এবং এই শিশুদের জন্য উপযুক্ত কোন নীতিমালা নেই।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত সেভ দ্য চিলড্রেন এর ইনক্লুসিভ প্রোটেকশন অ্যান্ড অ্যামপাওয়ারমেন্ট প্রজেক্ট ফর চিলড্রেন উইথ ডিস্অ্যাবিলিটিস ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রতিবন্ধী পথ শিশু, বস্তিবাসী শিশু সাধারণ বাড়িতে বসবাসকারী প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে একটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। গবেষণায় দেখা যায় যে, প্রতিবন্ধিতার কারণে শিশুরা বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। আর এই বৈষম্যগুলো উত্থিত হয় প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক বোধগম্যতা জ্ঞানের অভাবে, ভিন্নতার ভয়ের কারণে, রোগ সংক্রমণ দূষণের সংশ্লিষ্টতা থাকার কারণে, ধর্মীয় নেতিবাচক প্রভাব থাকার কারণে, সামাজিক সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। কিছু বিষয় যেমন-দারিদ্র, সামাজিক বিচ্ছিন্নকরণ, কুসংস্কার, কলঙ্ক, সেবায় প্রবেশাধিকারের অভাব, অনুপযোগী পরিবেশ বিষয়টিকে অধিকতর খারাপ করে।

জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরাম এবং প্রতিবন্ধী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এর যৗথ উদ্যোগে গত ফেব্রুয়ারি ২০১৭ রাজশাহী শহরস্থ নান কিং চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট - আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রমিত সেবামান নিশ্চিতকরণ শীর্ষক একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্ব-উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মো. মুনির হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা সদরের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব সুমিত চৌধুরী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জনাব রুবিনা ইয়াসমিনরাজশাহী জেলার তথ্য অধিদপ্তরের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার জনাব বিধান চন্দ্র কর্মকার।

আলোচনা সভায় সরকারি, বেসরকারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবকগণ, শিক্ষক, প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধিসহ প্রায় ১০০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

স্বাগত বক্তব্য:

জনাব মো. আলী আকবর

নির্বাহী পরিচালক, প্রতিবন্ধী স্বেচ্ছাসেবী সোসাইটি

স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিবন্ধী স্বেচ্ছাসেবী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক জনাব মো. আলী আকবর। তিনি সকলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাদের দেশের প্রতিবন্ধী শিশুরা নানাভাবে অবহেলার শিকার। তিনি বলেন, নির্যাতনের হাত থেকে শিশুদের সুরক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। কারণ আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যত। তিনি প্রতিবন্ধী স্বেচ্ছাসেবী সোসাইটির বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, শিশু পরিবারসহ বিভিন্ন আবাসিক প্রতিষ্ঠানসমূহে বসবাসরত প্রতিবন্ধী শিশুরা নানা রকম সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তিনি সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে এই সকল সুবিধা বঞ্চিত প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে দাড়ানোর আহবান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপান

জনাব মো. মোশাররফ হোসেন

সমন্বয়কারী, জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরাম

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সমন্বয়কারী (কর্মসূচি) জনাব মোঃ মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিশুরা বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত নির্যাতিত। যারা বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যদের ছেড়ে বিভিন্ন আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাস করেন, তারাও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।  তিনি শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীগণ নিন্মোক্ত সুপারিশমালা প্রদান করেন:

আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

- প্রতিবন্ধী শিশুদের সুরক্ষার লক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গহণ করতে হবে। বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সাংবাদিকগণ তাদের লেখনির মাধ্যমে বিষয়গুলো তুলে ধরতে পারে।

-আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত প্রতিবন্ধী শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

-তাদের অধিকার সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

-শিশু পরিবার, ছোটমণি নিবাসসহ সকল আবাসিক প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত প্রতিবন্ধী শিশুদের উপর কোন প্রকার নির্যাতন বা নিপীড়ন করা যাবে না।

-জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়ে এবং কখনো কখনো আকস্মিক পরিদর্শন করতে হবে।

-আবাসিক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়কদের প্রতিবন্ধী শিশুদের বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।

- প্রতিবন্ধী শিশসহ সকলের মানসিক শারীরিক বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন খেলাধুলা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্য :

জনাব বিধান চন্দ্র কর্মকার

উপ-প্রধান তথ্য অফিসার

জেলা তথ্য অধিদপ্তর, রাজশাহী

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী জেলার তথ্য অধিদপ্তরের উপ প্রধান তথ্য অফিসার জনাব বিধান চন্দ্র কর্মকার বলেন, নির্যাতনের হাত থেকে শিশুদের বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের সুরক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব কর্তব্য। তিনি আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত শিশুদের প্রতি অধিকতর যত্নবান হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাদেরকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে।  প্রতিবন্ধী শিশুদের সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জেলা তথ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বা দিয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করেন। 

জনাব রুবিনা ইয়াসমিন

উপ-পরিচালক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, রাজশাহী

তিনি সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী বান্ধব সরকার। রাজশাহীতে ইতমধ্যে প্রতিবন্ধী সেবা সাহায্য কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যেকোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এই সেবা সাহায্য কেন্দ্র থেকে থেরাপী বা অন্যান্য চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে। তিনি প্রতিবন্ধিতা জরিপ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে এখনো যে সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সনাক্তকরণ জরিপে অংশগ্রহণ করেননি তাদের এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহবান জানান। তিনি বলেন, আগামীতে শুধুমাত্র নিবন্ধকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তি শিশুকেই সরকার থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান করা হবে। আবাসিক প্রতিষ্ঠানের শিশুদের প্রমিত সেবামান বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে চেষ্টা করছি যাতে আবাসিক প্রতিষ্ঠানের শিশুদের ভালভাবে দেখাশুনা করা যায় এবং তাদের যত্ন নেওয়া যায়। এদের ব্যাপারে আমাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিষয়ে শুধুমাত্র সরকারি নয় বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানান।

জনাব সুমিত চৌধুরী

সহকারী পুলিশ সুপার

রাজশাহী জেলা সদর, রাজশাহী। 

সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিশুরা যেভাবে বড় হচ্ছে, তাতে তাদের মানসিক শারীরিক বিকাশ লাভে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে এরা আমাদেরই সন্তান। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশের পথশিশুদের বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তিসহ নানা রকম পেশায় নিয়োজিত করি। এমন কি অবৈধ দ্রব্য বহনের ক্ষেত্রেও তাদের ব্যবহার করি। তিনি বলেন, আমাদের সম্পদ কম, আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের এই সীমিত সম্পদ দিয়েই তাদের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আবাসিক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়ক অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী শিশুদের যত্ন  সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের উপর জোর দেন। তার জীবনের একটি বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন যে, সেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আজকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তখন যদি শুধুমাত্র প্রতিবন্ধিতার কারণে তাদের অবহেলা করা হতো বা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না করা হতো, তাহলে মেধা থাকা সত্ত্বেও তারা এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারতো না। তিনি বলেন, যাদের দ্বারা প্রতিবন্ধী শিশুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। যদিঅপরাধীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসে যায়, তাহলে অপরাধীরা এধরনের অন্যায় কাজ করবে না। তার কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ মাঝে মাঝে এসব আবাসিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যাবেন, বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য :

জনাব মো. মুনির হোসেন

বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত)

রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মো. মুনির হোসেন বলেন, আমরা সবাই কোনো না কোনো ভাবে প্রতিবন্ধী। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুসহ যে সকল শিশু বিভিন্ন আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাস করেন, তাদের অধিকার সুরক্ষা করতে হবে। আমাদের সীমিত সম্পদ দিয়েই তাদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করতে হবে। তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা অনেক সময় মিডিয়ার মাধ্যমে দেখতে পাই যে প্রতিবন্ধী নারী শিশুরা এসব আবাসিক প্রতিষ্ঠানে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনাকাক্সিক্ষত। তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিশুরা বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুরা পরিবারের সদস্যদের দ্বারা নানা রকম মানসিক, শারীরিক যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তিনি পরিবারের অন্যান্য সন্তানের চেয়ে প্রতিবন্ধী শিশুটির বেশি যতœ নেয়ার জন্য প্রতিবন্ধী শিশুদের অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্র সব জায়গায় প্রতিবন্ধী শিশুরা যাতে সুরক্ষিত থাকে, সেদিকে আমাদের সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হলে তারাও অন্যান্য শিশুদের মতো বড় হতে পারবে, সুনাগরিক হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।  আমাদের মনে রাখতে হবে, আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যত। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ করে শিশুদের বিষয়ে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে তিনি বক্তব্য শেষ করেন। 

সভাপতির বক্তব্য :

জনাব মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান

সভাপতি, স্ব-উন্নয়ন

সভার সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং স্ব-উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান। তিনি বলেন, জাতীয় আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশের প্রতিবন্ধী শিশুরা তাদের থেকে অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সম-সুযোগ সম-অধিকার প্রাপ্তি প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকার। আমাদের অবশ্যই এই শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বিষয়ে তিনি সরকারী বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। শত ব্যস্ততার মাঝেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য প্রধান অতিথিসহ সকলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।  সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Event Tag
Event Image
আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রমিত সেবামান নিশ্চিতকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা (রাজশাহী) বক্তব্য রাখছেন মোঃ মোশাররফ হোসেন